বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০১:৩২ অপরাহ্ন

পৃথিবী কি সত্যিই ধ্বংস হয়ে যাবে?

পৃথিবী কি সত্যিই ধ্বংস হয়ে যাবে?

পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার সময় কি খুবই কাছে চলে এসেছে? রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম পৃথিবী ধ্বংসের পূর্বে যে কয়েকটি আলামতের কথা বলেছেন, তার কিছু কিছু আলামত চৌদ্দশ বছর পরে মানে ইতোমধ্যে বাস্তব হয়েছে, সত্যি হয়ে ধরা দিয়েছে মানব সভ্যতায়। যেমন মসজিদে নববীর বিষয়ে বলেছেন -‘আজকের এই ছোট্ট মসজিদ একদিন শুভ্র পাথরে ঢুকে যাবে।’ সত্যিই আজ শ্বেতশুভ্র পাথরে মসজিদে নববী, মদীনা শরীফ ঢেকে গেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন- ‘ভূমধ্যসাগর শুকিয়ে যাবে।’ সত্যি আজ ভূমধ্যসাগরে চর পড়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন-‘পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত থেকে এমন এক কঠিন ব্যাধির উৎপত্তি হবে, যা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাবে।’ সত্যি করোনাভাইরাস পৃথিবীর পূর্ব থেকে শুরু হয়ে আজকে পুরো পৃথিবীর জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে পৃথিবীর পশ্চিম দিক থেকে শুরু হয়েছে আরেকটি ভয়ানক আজাব ‘পঙ্গপাল।’ একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেয়ে ফেলতে পারে এ পঙ্গপাল। সৌদি, ইরাক,পাকিস্তান শেষে ভারতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে এই পঙ্গপাল। বিষাক্ত কেমিক্যাল স্প্রে করেও কোন ফল মিলছে না। ধোঁয়া বালি কিছুতেই রোখানো যাচ্ছে না এই পঙ্গপালকে। তারা কোন্ শাস্তি নিয়ে এসেছে মানুষের জন্য? তা মহান আল্লাহ তাআলা ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা।
পৃথিবীতে ৩টি  ভয়াবহ সংকট:
১.করোনাভাইরাস
২.পঙ্গপাল  ও
৩.পৃথিবীকে ধাক্কা দেওয়া গ্রহাণু
চীনে ইহুদিদের দ্বারা মুসলিম নির্যাতন, আইন করে আযান বন্ধ, মসজিদ বন্ধ, প্রকাশ্যে নামাজ পড়া বন্ধ এমনকি তারা নতুন করে কোরআন শরীফ লেখার ঘোষণা দেয়ায় শাস্তি স্বরূপ আল্লাহর আরশে আজিম থেকে করোনা নামক এই প্রাণঘাতী রোগ প্রেরিত হয়েছে। চীনে কোন মুসলমান এ রোগে আক্রান্ত হয় নি। কারন তারাই আল্লাহর দরবারে নির্যাতনের শিকার হয়ে দরখাস্ত দিয়েছেন লক্ষ লক্ষ কোটি। সেসব দরখাস্ত থেকে কোন মজলুমের দোয়া কবুল করেছেন, তা আল্লাহ ছাড়া কারো জানার অবকাশ নেই।
এখন প্রশ্ন হলো ইহুদিদের জন্য এটা শাস্তি হলে মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কেন এই মহামারী করোনাভাইরাস ও পঙ্গপাল হানা দিয়েছে?
হ্যাঁ, এর উত্তর একদম সোজা ইহুদী বেদীন ধারা মুসলিম জাতি এত নির্যাতিত হয়, নির্বিচারে খুন হয়, নারীদের নিয়ে কঠিন উল্লাসে মেতে উঠা শেষে টুকরো টুকরো কেটে প্রমোদ করা হয়। সেখানে আমি বা আমরা মুসলমান রাষ্ট্র হয়ে কি দায়িত্ব পালন করছি? দায়িত্ববোধ না রাখার জন্যই তো ইহুদীদের সাথে মুসলমান নামক দেশে প্রবেশ করেছে। এর মানে হল অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে সম অপরাধী তারা।
চীনকে এমন শক্ত জবাব দেয়া হয়েছে যে চীন একেবারেই সোজা হওয়ার পথে। আমরা দেখেছি আজান, মসজিদ ও নামাজ নিষিদ্ধকারী বেদীন সরকারপ্রধানও এই করোনায় সোজা হয়ে মুসলমানদের ডেকে মসজিদ খুলে দিয়ে, রাস্তায় রাস্তায়, অলি-গলিতে মসজিদে মসজিদে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেছেন। যে পুলিশ মুসলিম দেখলে ধরে নিয়ে কঠিন নির্যাতন করত, সেও আজ মুসলমানদের নিরাপত্তায় মসজিদের আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকে। এর কারন হল চীনে এপর্যন্ত যত আক্রান্ত হয়েছে তাদের সবে বেদীন। অপরদিকে মুসলমানদের কেউই এতদিনেও এই কঠিন ভাইরাস আক্রান্ত হতে না দেখে খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই মুসলিম পাড়ায় ঢুকে মুসলমানদের খাবার তালিকা, জীবনযাপন দেখে অবাক বিস্মিত হন।
প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন চীনারা কুকুর-বিড়াল শেয়াল বাদুর গিরগিটি সাপ-বিচ্ছু পোকামাকড় খেয়ে থাকে। এজন্য তাদের রোগ বেশী।রাষ্ট্রপ্রধান মুসলিমদের হালাল খাদ্য তালিকা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে -তারাও মুসলমানদের মতো এমন সুন্দর জীবন যাপনের জন্য হালাল খাদ্য রেসিপি গ্রহণ করবেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন -‘পৃথিবীতে প্রচন্ড জোরে অপর আরেকটি গ্রহাণু ধাক্কা দিবে যার পরিমাণ হবে চার কিলোমিটারের বেশী লম্বা। সেটা যেকোনো রমজান মাসে হবে। তখন এই জন্য এক বছরের খাদ্য মজুদ রাখার জন্য বলেছেন তিনি। আজ রাসুল  সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী হাজার বছর পর এসে সত্যি হতে চলেছে। আসছে রমজানের ৫ তারিখে গ্রহাণু নামক পাথরখণ্ড টি দ্রুত এসে পৃথিবীকে প্রচন্ড জোরে আঘাত করবে। এতে সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে এমনকি এই পৃথিবী এবং মানব সভ্যতা। বিজ্ঞানীরা রাসুল  সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎ বাণীর সত্যতা দেখে বেহুঁশ হয়ে পড়েন। নাসাসহ পৃথিবীর সব বাঘা বাঘা বিজ্ঞানী সংস্থাও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এর থেকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছাড়া দ্বিতীয় কোনো উপায় নেই আমাদের তথা এই পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য।
হে আল্লাহ সারা পৃথিবীর মোমিন-মুসলমানদেরকে এই কঠিন আজাবের মুখোমুখি তুমি করোনা মাবুদ, মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস থেকে, পঙ্গপাল থেকে এবং পৃথিবী ধ্বংসকারী গ্রহাণু থেকে তুমি হেফাজত করো, বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে হেফাজত করো, আমাদের পরিবারের সবাইকে হেফাজত করো, এই পৃথিবীকে হেফাজত করো এবং সারা পৃথিবীর বেদ্বীনদের তুমি হেদায়েত দান করো। আর যদি হেদায়েত দান না করো তবে তাদের ধ্বংস করে দাও। আমিন, আমিন।
লেখক : সাংবাদিক কলামিষ্ট কবি
সম্পাদক : আবীর আকাশ জার্নাল

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com