বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে ভয়-ভীতি হামলা-মামলা দিয়ে এতিমের সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে ভয়-ভীতি হামলা-মামলা দিয়ে এতিমের সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা

 আসাদুজ্জামান মাসুদ:- ফোরকান মিয়ার মৃত্যুর আগে তার সম্পত্তির একটি অংশ ঢাকার দক্ষিণগাঁও এর বাড়ীটি একমাত্র পুত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম কে অছিয়ত মূলে দান করে দিয়ে যায়, ফোরকান মিয়ার মৃত্যুর পর অছিয়ত করা সম্পত্তির দখল পেতে জাহাঙ্গীর আলম এর ছয় বোন ও বোন জামাইরা বিভিন্নভাবে জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবারের উপর অশান্তি সৃষ্টি করে এতে জাহাঙ্গীর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তার ছয় বোনকে নিয়ে মাননীয় ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে গিয়ে নোটারী পাবলিক আদালতে গত ১১/৬/২০১৫ তাং দলিল মূলে বোনদের দাবিকৃত সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে বিবাদের অবসান ঘটান। উক্ত দলিলের বয়ানে আরও লেখা থাকে যে জাহাঙ্গীর আলম এর পিতার রামকৃষ্ণপুর নোয়াখালীর সম্পত্তি ইসলামিক শরীয়ত অনুযায়ী জাহাঙ্গীর আলম এবং তার ছয় বোনের মাঝে বন্টন করা হবে, জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুর পর তার বোনের স্বামী আবদুল খালেক (৩৬) বোন বিবি মরিয়ম (২৭) খুসবু সুলতানা নদি (২০) আমেনা বেগম (৪২) ভাইয়ের পরিবারকে গ্রামের বাড়ীর সম্পত্তি ভাগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় জাহাঙ্গীরের বোনজামাই খালেক, জাহাঙ্গীরের স্ত্রী ছকিনা বেগমের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানায় খালেক এর ঘর ছকিনা বেগম দখল করে আছে বলে একটি সাধারণ ডায়েরি করে, সেই সাধারণ ডায়েরির তদন্তভার গ্রহণ করে এসআই ইয়াকুব প্রমাণ পায় খালেকের জিডি মিথ্যা, বরং ছকিনার ঘরই দখল করার জন্য খালেক পাঁয়তারা করিতেছে বিধায় এসআই ইয়াকুব গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে ছখিনা বেগমকে তার ঘর বুঝাইয়া দিয়া আসে এবং সেদিনই সন্ধ্যায় ছখিনা বেগমের ননদের জামাই এবং ননদরা যথা খালেক, মরিয়ম,আমেনা বেগম,ফারজানা আক্তার সুমি গং ছকিনা বেগমের ঘরে গিয়ে ছকিনা বেগমের ছোট ছেলে মোস্তফা কামাল রাফি ( ১৩) এবং ছকিনা বেগমকে মারাত্মকভাবে মারধর করে এবং ভারী বস্তুু দিয়ে ছকিনা বেগমের মাথায় আঘাত করলে ছকিনা বেগম গুরুতরভাবে আহত হয় এবং সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে থাকে, পরে এলাকার মানুষজন ছকিনা বেগমকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় প্রথমে থানায় এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা প্রদান করায়, এই বিষয়ে সোনাইমুড়ি থানার পুলিশ খুব দ্রুতই ছকিনা বেগম এর মামলা নেয় মামলা নং ০৫ তারিখ ৬/১/২০২০, মামলা নিয়ে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় এবং পরের দিনই আসামীগণ জামিনে বের হয়ে ছকিনা বেগমের পরিবারকে ভয়-ভীতি প্রদান করিতে থাকে, এরই এক পর্যায়ে আব্দুল খালেক ছকিনা বেগমকে (৩৪) মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম রাব্বি (১৭) কে মাদকসেবনকারী সাজিয়ে কোর্টে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, বর্তমানে সে মামলা চলমান আছে। এর পরও শেষ হয়নি আবদুলখালেক এবং ছকিনা বেগমের ননদদেরর ঘর দখল করার চক্রান্ত। গত ১২/২/২০২০ তারিখে আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী বিবি মরিয়ম এবং এবং তাদের মেয়ে খুজবো সুলতানা নদি মিলে ছখিনা বেগমের ঘরের জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে জমির দলিল, নগদ টাকা,সোনার গহনা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়,এরপর আব্দুল খালেক হাতুড়ি দিয়ে ঘরের তালা ভেঙে ঘরের মালামাল তছনছ করে পুলিশে খবর দেয় যে ছখিনা বেগম ঘরের তালা ভেঙ্গে আব্দুল খালেকের মালামাল চুরি করেছে এ খবর পেয়ে ছকিনা বেগম ঢাকা থেকে নোয়াখালী গিয়ে সব ঘটনা জেনে আব্দুল খালেক, বিবি মরিয়ম ও খুশবু সুলতানা নদীর বিরুদ্ধে নোয়াখালী সোনাইমুড়ী থানায় অভিযোগ দেয়,অভিযোগের ভিত্তিতে দারোগা গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল খালেক, মরিয়ম,খুসবু সুলতানা নদির বিরুদ্ধে সাক্ষী এবং ভিডিও ফুটেজসহ চুরির প্রমাণ পান,অনুসন্ধানে আরো জানা যায় আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক জিডি ও মামলা আছে,বর্তমানে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ ছকিনা বেগমের করা খালেকের বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে মীমাংসা করে দেওয়ার পথে হাঁটছে ।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com