মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শরীরে টিকা প্রয়োগ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শরীরে টিকা প্রয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে করোনা প্রতিরোধী টিকা। আজ রোববার সকালে দেশব্যাপী টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধনের পর মহাখালীর গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে টিকা নেন তিনি। একই সাথে টিকা নেয়ার কথা রয়েছে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হকের।

এর আগে রোববার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সারাদেশে গণহারে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রয়োগকৃত ভ্যাকসিন সবচেয়ে নিরাপদ দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘এটা এক মাসের কাজ নয়। চলমান ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সারা বছর চলবে।’

তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো সমালোচনা নয়। করোনার টিকা পেতে ছয় মাস সময় লাগবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে কোভাক্স (করোনার টিকা) আসবে, সেই টিকা দেয়া হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘মন্ত্রী-এমপিসহ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আজ টিকা নিবেন। এতে জনগণ আরও উদ্বুদ্ধ হবে। আপনারা টিকা নিন, সুস্থ থাকুন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল জেলার সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়েছি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ আছেন। তাদের সঙ্গে আমরা ভ্যাকসিন নিব। এটা নিয়ে যেন কোন রকমের রিউমার না হয়। এই ভ্যাকসিন খুবই নিরাপদ, যতগুলা ভ্যাকসিন আছে তাদের ভেতর এটা সবচেয়ে নিরাপদ। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। আমরা হাজার হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন দেব, লাখও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) টিকা নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জিনাত আরাসহ তিন বিচারপতি।

রোববার সকাল ৯টার দিকে তারা টিকা গ্রহণ করেন। অপর দুজন হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও একই বেঞ্চের অপর বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। অন্যান্য বিচারপতিরাও এই হাসপাতালে টিকা গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

গত ২৮ জানুয়ারি বিএসএমএমইউ-তে প্রথম টিকা নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। পরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও টিকা গ্রহণ করেন।

এদিকে টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে রাজধানীতে ৬৫টি স্থানসহ সারাদেশে হাজারের বেশি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এই কাজে ঢাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ২০৬টি দল প্রস্তুত রয়েছে।

ঢাকার বাইরে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলিয়ে ৯৫৯টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব জায়গায় ২ হাজার ১৯৬টি দল টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। দুজন স্বাস্থ্যকর্মী এবং দুজন স্বেচ্ছাসেবক মিলিয়ে প্রতিটি দলে চারজন সদস্য থাকবেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ১ হাজার ১৫টি হাসপাতালে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ২ হাজার ৪০২টি দল।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com