শনিবার, ০১ মে ২০২১, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছাড়ার আশ্বাস দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী

সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছাড়ার আশ্বাস দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী

এশীয়ান সংবাদ ডেস্ক : সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছাড়ার আশ্বাস দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তবে কবে ওই নির্বাচন হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।এদিকে সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়ে স্টেট কাউন্সিলর ও ক্ষমতাসীন এনএলডি দলের প্রধান অং সান সু চি এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ গ্রেপ্তার অন্য নেতাদের ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। না হলে মিয়ানমারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। মিয়ানমার ইস্যুতে মঙ্গলবার জরুরি অধিবেশন ডেকেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে সেনা অভ্যুত্থানের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট সাবেক জেনারেল মিন্ত সুয়েকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট করে সেনাবাহিনী। এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে সামরিক সরকার। পরে জারি করা হয় রাত্রিকালীন কারফিউ। ওইদিনই পদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসে মিয়ানমারের শাসনভার সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ অং লাইং এর কাছে হাস্তান্তর করেন সুয়ে।

বৈঠক শেষে সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা, ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করে সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়া এবং করোনা মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করা। তবে কবে নির্বাচন দেয়া হবে, সে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি।

সেনাঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িতেদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সামরিক অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অং সান সু’চিসহ গ্রেপ্তার অন্য নেতাদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

মিয়ানমারে ফের সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান চার্লস মিশেল, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। হিউম্যান রাইটস ওয়াচও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আটক নেতাদের দ্রুত মুক্তি দাবি করেছেন।

মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে থাইল্যান্ড, জাপান ও নেপালে বিক্ষোভ করেছেন সু’চির সমর্থকরা। শিগগিরই সেনা শাসনের অবসান চেয়ে আটক নেতাদের মুক্তি দাবি করেছেন তারা।

মিয়ানমারের এ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে অনেকটা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে মিত্র দেশ চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে যা হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে বোঝার চেষ্টা করছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com