রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

ড. ইউনূসকে সাথে নিলে দেশের মানুষ অনেক সহজেই ভ্যাকসিন পেত – ডা. জাফরুল্লাহ

ড. ইউনূসকে সাথে নিলে দেশের মানুষ অনেক সহজেই ভ্যাকসিন পেত – ডা. জাফরুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা প্রতিরোধে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সব চেষ্টায় সরকার অসহযোগিতা করেছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। করোনা ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টায় সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূসকে সাথে নিলে দেশের মানুষ অনেক সহজেই ভ্যাকসিন পেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার সকালে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সরকারের অসহযোগিতা না থাকলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা শনাক্ত করার কিটের সুফল পেত সাধারণ মানুষ।

দেশে গণতন্ত্র নেই দাবি করে তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের নামে সরকার সাংবাদিক কাজলের মতো সবার কণ্ঠরোধ করতে চায়। দেশের সামনে ভয়াবহ দুর্দিনের আশংকা জানিয়ে, দেশের চলমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরী বলেও মন্তব্য করেন ডা. জাফরুল্লাহ ।

গত সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এসময় শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

এদিকে জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতেই দেশে করোনাভাইরাসের টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গতকাল রোববার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওষুধ এবং টিকার জন্য স্থাপিত গবেষণাগার পরিদর্শন শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। টিকা রক্ষণাবেক্ষণ, বণ্টন ও প্রয়োগের জন্য প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট এবং কোভ্যাক্সের আওতায় আগামী বছরের জুনের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেবে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষকে। তাতে করে মোট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ভ্যাকসিন বাংলাদেশ জুনের ভেতরে পেয়ে যাচ্ছে। কোভ্যাক্সের প্রতিশ্রুত টিকা মে এবং জুন মাসের ভেতরে পাওয়ার আশা করছি।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি তিন কোটি ডোজ টিকার জন্য সরকারের ক্রয়চুক্তি হয়ে গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,এই টিকার জন্য ক্রয়াদেশও পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমরা আশা করতে পারি জানুয়ারির শেষের দিকে অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন পাবে। যখনই অ্যাস্ট্রাজেনেকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাবে, তখনই বাংলাদেশ সে ভ্যাকসিন পাবে।

তিনি বলেন, প্রথম ধাপে ২৫ লাখ মানুষের জন্য ৫০ লাখ টিকা আসবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি ডোজ টিকা আসবে জুনের মধ্যে। আর কোভ্যাক্সের টিকা আসবে জুনে। সেটাও আসবে পর্যায়ক্রমে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com