শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে সত্য প্রবাহে কাঁপছে  সাধারণ মানুষ ! বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী

লক্ষ্মীপুরে সত্য প্রবাহে কাঁপছে  সাধারণ মানুষ ! বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর:
চলছে শৈত্যপ্রবাহের বৈরী আবহাওয়া। প্রচন্ড শীতে ঠান্ডা জনিত কারনে লক্ষ্মীপুরে বেড়ে চলছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৫শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ২ শতাধিকের বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে তাদের মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিত্র একই। রোগীর অনুপাতে হাসপাতালে বেড না থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝেতে অবস্থান নিয়ে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার খুবই জরুরী।
লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত কারণে প্রতিদিন নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে ভিড় করছেন রোগীরা। আক্রান্ত হয়ে জরুরী বিভাগে দৈনিক ৭০/৮০ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে ২৫/৩০জন ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে ।
এছাড়া প্রতিবেডে এক শিশুকে চিকিৎসা দেয়ার কথা থাকলেও বেড না থাকায় ২/৩ শিশুকে এক বেডে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে করে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের। প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। একই অবস্থা জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর হাসপাতাল থেকে তাদের খাবার স্যালাইন ও সামান্য কিছু ঔষধ দেয়া হয়। বাকী ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হয়। এছাড়া তেমন চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রতিদিনই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোহাম্মদ ইছমাইল হাসান জানান জেলায় বৈরী আবহাওয়া ও ঠান্ডা জনিত কারনে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। দৈনিক ২৫/৩০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে তবে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আনোয়ার হোসেন বলেন ঠান্ডা-গরমের কারনে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে। প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে ।  সাধ্যমতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ থাকলেও জনবল সংকটের কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার জন্য বললেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com