শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলা

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলা

ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ  ০৬/১০/১৯ খ্রিঃ রাত ২০.০৫ টা হতে ০৭/১০/১৯খ্রিঃ রাত অনুমান ০২.৩০ টা পর্যন্ত

ঘটনাস্থলঃ  চকবাজার মডেল থানাধীন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা আবাসিক হলের ২০১১ এবং ২০০৫ নং কক্ষের ভিতর ।

বাদীঃ  মোঃ বরকত উল্লাহ (ভিকটিমের বাবা)

মামলা নং ও তারিখঃ  চকবাজার মডেল থানার মামলা নং-১৪ তারিখঃ ০৭/১০/২০১৯ ইং।

ধারাঃ  ৩০২/১০৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ।

তদন্তকারী সংস্থাঃ  গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা।

অভিযোগপত্রঃ  চকবাজার মডেল থানার অভিযোগ পত্র নং-৫৭০, তারিখঃ ১৩/১১/২০১৯ ইং।

ধারাঃ  ৩০২/১০৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ।

মোট অভিযুক্তঃ ২৫ জন ।

আলামতঃ  ২৩ টি ।

মোট সাক্ষীঃ  ৬০ জন ।

মোট নিহতঃ  ০১ জন।

কাঃ বিঃ  ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিঃ ০৮ জন।

এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ

বাদী মোঃ বরকত উল্লাহ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন যে, তার ছেলে আবরার ফাহাদ রাব্বি (২১) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ তম ব্যাচের ইইই বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র, শেরে বাংলা আবাসিক হলের ১০১১ নং কক্ষে থাকত। ঘটনা পরবর্তী বাদী লোক মারফত জানতে পারেন, হলের কতিপয় ছাত্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে আবরার ফাহাদ রাব্বিকে মারধর করে গুরুতর জখম করতঃ হত্যা করেছে। সংবাদ পেয়ে বাদী ঢাকায় এসে বুয়েট কর্তৃপক্ষ, কতিপয় ছাত্রদের সাথে আলোচনা সহ হলে ভিডিও ফুটেজ দেখে ১৯ জন অপরাধীকে সনাক্ত করে। বাদী আরও উল্লেখ করে ০৬/১০/১৯খ্রিঃ রাত ২০.০৫ ঘটিকায় আসামীরা তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে বুয়েট শেরে বাংলা আবাসিক হলের ১০১১ নং রুম হতে ডেকে হলের ২০১১ নং রুমে নিয়ে ১৯ জন ছাত্র সহ আরও ছাত্ররা ০৬/১০/১৯ খ্রিঃ রাত ২০.০৫ ঘটিকা হতে ০৭/১০/১৯খ্রিঃ রাত অনুমান ০২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত ২০১১, ২০০৫ নং কক্ষের ভিতরে ক্রিকেট ষ্ট্যাম্প, লাঠি-সোটা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচন্ড মারধর করে। যার ফলে ঘটনাস্থলে বাদীর ছেলে মারা যায়। বাদীর ছেলের মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামীরা উক্ত হলের ২য় তলার সিঁড়িতে মৃতদেহ ফেলে রাখে। পরে কতিপয় ছাত্র বাদীর ছেলের মৃতদেহ সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বাদীর ছেলে আবরার ফাহাদকে মৃত ঘোষণা করে।

তদন্তঃ

বহুল আলোচিত লোমহর্ষক মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ। তাদের তদন্তে অত্র মামলার ঘটনার সাথে ২৫ জনের সম্পৃক্ততার প্রমান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৮ জন বিজ্ঞ আদালতে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ৪ জন পলাতক আছে।

গ্রেফতারকৃত ২১ জন হলোঃ

১। মেহেদী হাসান রাসেল

২। মুহতাসিম ফুয়াদ

৩। মোঃ অনিক সরকার ওরফে অপু

৪। মোঃ মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত

৫। ইফতি মোশাররফ সকাল

৬। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির

৭। মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন

৮। মোঃ  মাজেদুর রহমান ওরফে মাজেদ

৯। মোঃ মুজাহিদুর রহমান ওরফে মুজাহিদ

১০। খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম ওরফে তানভীর

১১। হোসেন মোহাম্মদ তোহা

১২। মোঃ আকাশ হোসেন

১৩। মোঃ শামীম বিল্লাহ

১৪। মোঃ সাদাত ওরফে এ এস এম নাজমুস সাদাত

১৫। মোঃ মোয়াজ ওরফে মোয়াজ আবু হোরায়রা

১৬। মুনতাসির আল জেমি

১৭। অমিত সাহা

১৮। ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না

১৯। মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান

২০। এস এম মাহমুদ সেতু

২১। সামছুল আরেফিন রাফাত

পলাতকঃ

১। মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল প্রঃ জিসান

২। এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম

৩। মোঃ মোর্শেদ ওরফে মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম

৪। মুজতবা রাফিদ

মামলার বর্তমান অবস্থাঃ মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com