November 21, 2019, 1:47 pm

সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৮ জন সিআইপি কার্ড পেলেন ট্রেনের ১৪৬ যাত্রীকে জরিমানা ও ৪ ড্রাম ডিজেল উদ্ধার পরিবহন চালকদের ৯ দফা দাবি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল দিবা-রাত্রির টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখতে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ সম্প্রচার আইন ব্রডকাস্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ও কর্মীদের আইনী সুরক্ষা দেবে: তথ্যমন্ত্রী গুজবে কান না দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইরান ও সিরিয়ার রকেট হামলার প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলী বিমান হামলা আজ বিশ্ব শিশু দিবস পিতৃপরিচয়হীন শিশুরা অবহেলার শিকার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, দেশটির শত্রুদের বিরুদ্ধে জয় দাবি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেআইনি অভিবাসী অভিযুক্ত ১৫০ জন ভারতীয়কে দেশে ফেরৎ পাঠানো হয়েছে।
স্বেচ্ছায় কোন রোহিঙ্গা বাংলাদেশ ছেড়ে মিয়ানমার গেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখবে সরকার:পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বেচ্ছায় কোন রোহিঙ্গা বাংলাদেশ ছেড়ে মিয়ানমার গেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখবে সরকার:পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বেচ্ছায় কোন রোহিঙ্গা বাংলাদেশ ছেড়ে মিয়ানমার গেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখবে সরকার । মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ক্রমাগত বলে যাচ্ছে, অনেক রোহিঙ্গা সে দেশে ফিরে গেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ, কে, আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হবে। মাত্র একদিন আগে পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছিল, মিয়ানমার ডাহা মিথ্যা কথা বলছে। একজন শরণার্থীও মিয়ানমার যায়নি।

ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাস এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছে, ৪৬ জন রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছে। তাদেরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে- এটাও বলেছে স্ট্যাটাসে। মিয়ানমার আরো বলেছে, সব মিলিয়ে ৩৯৭ জন রোহিঙ্গা দেশে ফিরেছে। মিয়ানমারের এই বক্তব্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। রোহিঙ্গা বিষয়ে কাজ করেন এমন দুটো সংস্থার স্থানীয় প্রতিনিধিরা বলছেন, তাদের কাছে এর কোন দালিলিক প্রমাণ নেই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার বলেছিল, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শরণার্থী প্রত্যাবাসনে দু’দফা উদ্যোগ মিয়ানমারের অসহযোগিতায় ব্যর্থ হয়ে গেছে। গত আগস্টে জাতিসংঘ অধিবেশনকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক চাপ কমানোর জন্য মিয়ানমার প্রতিনিধি প্রত্যাবাসনের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেন। কিন্তু একজন রোহিঙ্গাও এতে সায় দেননি। তাদের কথা- নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই কেবল প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে।

ওদিকে সর্বশেষ খবর হচ্ছে, চীনের মধ্যস্থতায় আগামী ৪ঠা নভেম্বর কক্সবাজারে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে নিয়ে ত্রিদেশীয় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করার কথা বলা হচ্ছে। যেখানে যুক্ত হবে চীন।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com