শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের অম্লান স্মৃতি নিয়ে আমি বেঁচে আছি

মুক্তিযুদ্ধের অম্লান স্মৃতি নিয়ে আমি বেঁচে আছি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলাধীন বোকাইনগর ইউনিয়নের বাঘবেড় গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ। বর্তমানে তার বয়স ৭২ পেড়িয়েছে। পেশাগত জীবনে তিনি একজন কাঠ মিস্ত্রী। সম্প্রতি তার মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধকালীন সময়ের ঘটনাবলি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার ইউটিউব ও ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আব্দুর রশিদের সাথে আলাপকালে জানা যায় যে, তিনি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্বে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে আনসার বাহিনীতে চাকরী করতেন। তখন এদেশে চলছিল পাকিস্থান সরকারের বিরুদ্ধে সৈরবিরুধী আন্দোলন। এক সময় আন্দোলন চরম আকার ধারন করলে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ উপস্থিত জনতার সামনে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষনা দেন। বঙ্গবন্ধুর যুদ্ধের আহবানে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমন সময় আব্দুর রশিদ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে ৬০৪ নং মারফোর রাইফেল নিয়ে প্রথমে মধুপুর এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে বিমান হামলার শিকার হন। এরপর তিনি নিজেকে বাঁচিয়ে গৌরীপুরে ফিরে আসেন। একদিন বিশ্রাম নেওয়ার পর তিনি চলে যান ভারতের রংরা ক্যাম্পে। ঐ দিন ভারতের তুরা থেকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ শেষ করে ক্যাপ্টেন চৌহানের নেতৃত্বে টাইগার কোম্পানির দলটি ফিরে আসার পথে তাদের সাথে আব্দুর রশিদের সাক্ষাত হয়। তখন তিনি টাইগার কোম্পানিতে মিশে গিয়ে নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সম্মুখ যুদ্ধে বহুবার অংশ গ্রহন করেন। তিনি সর্বশেষ যুদ্ধ করেন ৯ ডিসেম্বর। সেদিন তারা নেত্রকোনা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে পাকবাহিনীর সাথে তাদের ভিষণ যুদ্ধ হয়। সেখানে বহুপাকবাহিনী যুদ্ধে জীবন দেয় ও অনেকে আত্মসমর্পণ করেন। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের যুদ্ধের কাহিনীর পরবর্তীতে বিষদভাবে প্রকাশিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com