June 26, 2019, 8:00 pm

তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরানো হলো এনামুল বাছিরকে

তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরানো হলো এনামুল বাছিরকে

নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করা (সাময়িক বরখাস্ত) দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল  বাছিরের স্থলে আজ  বুধবার মঞ্জুর মোর্শেদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

দুদকের উপপরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত দুদকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ‘সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করার জন্য দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের পরিবর্তে এ বিষয়ে অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের পরিচালক জনাব মঞ্জুর মোর্শেদকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত), দুর্নীতি দমন প্রধান কার্যালয়, ঢাকাকে তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এমতাবস্থায়,পূর্ববর্তী অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুসন্ধান নথি বুঝে নিয়ে বিধি মোতাবেক অনুসন্ধান করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে গত ১০ জুন পুলিশের বিতর্কিত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দায়মুক্তি দিতে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

পরে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্ত করতে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলওয়ার বখ্তকে প্রধান করা হয়েছে।

কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, লিগ্যাল অনুবিভাগের মহাপরিচালক মফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও প্রশাসন অণুবিভাগের মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খান। তারা প্রাথমিকভাবে অভিযোগ পেয়েছেন এ কারণে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে  সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com