রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা যাচাই-বাছাই’র শেষ দিনে যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা যাচাই-বাছাই’র শেষ দিনে যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা যাচাই-বাছাই’র শেষ দিনে মৌলভীবাজারের চারটি আসনে ২৮ জনের মধ্যে ২২ জনের প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম জানান, এ জেলার ৪টি আসনে মোট ২৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন।

যাচাই-বাছাই শেষে যাদের মনোনয়ন বাতিল হয় তারা হলেন- মৌলভীবাজার-১ আসন (বড়লেখা ও জুড়ী) থেকে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী ও জামায়াত নেতা (স্বতন্ত্র) মাওলানা আমিনুল ইসলাম। মৌলভীবাজার-২ আসন (কুলাউড়া) থেকে জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) থেকে মুহিবুল কাদের চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসন  (মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর) থেকে বিএনএফ থেকে আশা বিশ্বাস, স্বতন্ত্রপ্রার্থী মো. আব্দুল মছব্বির। মৌলভীবাজার-৪ আসনের (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ)  বিএনপি প্রার্থী মুজিবুর রহমান মুজিব।

এদিকে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- মৌলভীবাজার-১ আসনে (বড়লেখা ও জুড়ী) বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান সংসদ সদস্য ও সরকার দলীয় হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন, বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, ইসলামী ঐক্য ফ্রন্ট থেকে আহমদ রিয়াজ, এবং বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন।

মৌলভীবাজার-২ আসনে (কুলাউড়া) বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে সাবেক এমপি সুলতান মো. মনসুর আহমদ, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে এম এম শাহীন ও অ্যাডভোটে মাহবুবুল আলম শামীম, বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন থেকে হাফিজ মতিউর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামি ঐক্যজোট থেকে মাওলানা আসলাম হোসাইন, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি বামফন্ট থেকে প্রশান্ত দেব সানা, বর্তমান সংসদ সদস্য ও কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন (সতন্ত্র)।

মৌলভীবাজার-৩ আসনের (মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর) জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি এম নাসের রহমান ও  এম নাসের রহমানের স্ত্রী রেজিনা নাসের। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লুৎফুর রহমান কামালী, খেলাফত মজলিস থেকে মাওলানা আহমেদ বিলাল, বাসদ থেকে অ্যাডভোকেট মো. মগনু মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আসলম।

মৌলভীবাজার-৪ আসনে (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আওয়ামী লীগ থেকে সাবেক চিপ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ, বিএনপি থেকে আশিক মুঈদ চৌধুরী। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে অ্যাডভোকেট শান্তি পদ ঘোষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মাওলানা সালাউদ্দিন।

রবিবার চট্টগ্রাম রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে  যাচাইবাছাই কালে  এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঋণ খেলাপি এবং নানা ক্রটির কারণে চট্টগ্রাম-১ আসনে মনোনয়ন বাতিলকৃতরা হলেন- মীরসরাই আসনে বিএনপির শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ও মোশাররফ হোসেন। চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী ও জাকের পার্টির আবদুল হাই। চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সাংসদ মোস্তাফা কামাল পাশা ও জাসদ (ইনু) আবুল কাশেম। চট্টগ্রাম-৪ বিএনপির আসলাম চৌধুরী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বাকের ভুঁইয়া। চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনে বিএনপির সামির কাদের চৌধুরী। চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মোরশেদ খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে।

এছাড়া মনোনয়নপত্র হওয়া অন্য প্রার্থীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১৩ পটিয়া আসনে এলডিপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় এলডিপির শিল্প-বাণিজ্য  সম্পাদক এম ইয়াকুব আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তালেব বেলালী। চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে বিএনপির তিন প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী,আবু আহমেদ হাসনাত ও আবদুল আলীম। চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগড়া আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জাফর সাদেক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর জব্বার। চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমদ, বিএনএফ প্রার্থী নারায়ণ রক্ষিত ও গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক। চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ আসনে তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ফারুকী,স্বতন্ত্র মনিরুল ইসলাম,মো. শাহজাহান ও জসিম উদ্দীন।

তথ্য গোপন করার অভিযোগে রাজশাহী-১ আসনের (গোদাগাড়ী-তানোর) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল ও অন্যান্য অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।

রবিবার সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এছাড়াও এ আসনের আরও সাতজনের প্রার্থীতা বাতিল করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম আব্দুল কাদের।

জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, তার স্ত্রী আভা হক ও শাহাদাত হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মান্নান, বাসদের আলফাজ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস, সাইদুর রহমান, শহিদুল কবির শিবলী ও সুজা উদ্দিন।

এদের মধ্যে আটজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফলে চারজনের মনোনয়নপত্র বহাল রইলো।

তবে প্রার্থীতা বাতিল হলেও এ নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করতে পারবেন প্রার্থীরা।

মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে বিএনপির চারজন ও জাতীয় পার্টির একজনসহ মোট আট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল  করা হয়েছে।

রবিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম  শুরু করেন।

এসময় ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস।

বাছাইয়ে মানিকগঞ্জ- ১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের অনলাইন আবেদন যথাযথভাবে না হওয়ায় ও চেয়ারম্যান পদ থেকে তার পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এই আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের মনোনয়নপত্র যথাযথভাবে পূরণ না হওয়ায় তার প্রার্থীতাও বাতিল করা হয়।

এদিকে মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খানের মনোনয়নপত্রে বিএনপি মহাসচিবের স্বাক্ষর মিল না থাকায় এবং একই আসনে  বিএনপির অপর প্রার্থী সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমানের উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এই আসনে ঋণ খেলাপির কারণে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এছাড়া এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও মাসুম মিয়া শতকরা এক ভাগ ভোটার জমা না দেয়ায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ- ৩ আসনে  বিএনপির প্রার্থী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়

টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ ৮টি আসনের ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম তাদের মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।

ঋণ খেলাপীর দায়ে টাঙ্গাইল-৪ ও ৮ আসনে কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জানা যায়, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন কাদের সিদ্দিকী।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্যরা হলেন- টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএপির প্রার্থী ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন ও টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির নুর মোহাম্মদ খানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়।

এছাড়া টাঙ্গাইল-৩ আসনে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকায় মো. চাঁন মিয়া (এনপিপি), হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় আতাউর রহমান খান (বিএনএফ), টাঙ্গাইল-৪ আসনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বাকির আলী ও আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল-৬ আসনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় মো. সুলতান মাহমুদ (বিএনএফ), দলীয় মনোনয়ন চিঠিতে দলের প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় মামুনুর রহমান (এনপিপি), টাঙ্গাইল-৭ আসনে ঋণ খেলাপী থাকায় মজিবর রহমান (খেলাফত মজলিস), টাঙ্গাইল-৮ আসনে ঋণ খেলাপী থাকায় আশরাফ সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা ও বিল খেলাপী থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলাম, দলীয় মনোনয়ন চিঠিতে দলের প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় আব্দুল লতিফের (খেলাফত মজলিস) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

শেরপুরে চারটি ব্যাংকের ঋণখেলাপির দায়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া জেলা যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল কাদের মনোনয়নপত্রে বিএনপির প্রার্থী বলে উল্লেখ করলেও মনোনয়নপত্রের সাথে দলীয় মনোনয়নের চিঠি সংযুক্ত না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আনার কলি মাহবুব জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আগামী তিনদিনের মধ্যে আপিলে বাতিল ব্যক্তিদের মনোনয়নপত্র বৈধতা পেলে তারা বৈধ প্রার্থী হিসেবে তালিকায় স্থান পাবেন।

নাটোরে সকাল ১০টায় ৪টি আসনে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা, জামায়াতের দেলোয়ার হোসেন খানসহ ৬ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।

৪টি আসনে মোট ৩৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে ২টি মামলায় সাজা থাকায় তার প্রার্থীতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে দুলুর দাবি দু’টি মামলাই উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। জোর করে তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জে দুপুরে ৩টি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে ৩ প্রার্থী বাদ পড়েছেন । গোপালগঞ্জ এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় গোপালগঞ্জ- ১ আসন থেকে বাদ পড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামছুল আলম খান চৌধূরী। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দাখিল না করা, স্বাক্ষর বিহীন আয়কর রির্টান দাখিল এবং দলীয় মনোনয়ন ফরমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে মিল না থাকায় ৩ আসন থেকে বাদ পড়েছে বিএনপির এস এম জিলানী।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com