বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া-সহ ৪ জনের ৭ বছর কারাদণ্ড।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া-সহ ৪ জনের ৭ বছর কারাদণ্ড।

এশিয়ান সংবাদ ডেস্ক  :  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-সহ চার জনের সাত বছর কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে ঢাকার বিশেষ আদালত। পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা  জরিমানা এবং অনাদায়ে ছ’মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ডের সাজাও ঘোষণা করা হয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে কেনা ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্র্র বাজেয়াপ্ত করতে পারবে বলে নির্দেশে দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য তিন জন হলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন ব্যক্তিগত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ-র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রাক্তন মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ব্যক্তিগত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এ দিনের রায়ের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই শাস্তির প্রতিবাদে আগামিকাল মঙ্গলবার গোটা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে বিএনপি।ঢাকার নয়াপল্টনের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে ফখরুল বলেন, ‘‘ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখান করছে বিএনপি।’’ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছিল, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহিদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির প্রকৃত দামের চেয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বেশি দেওয়া হয়েছিল জমির মালিককে। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্রও দেখানো হয় আদালতে। তবে, সেই টাকার কোনও বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৯ জানুয়ারি ২০০৫, তেজগাঁওয়ে সোনালি ব্যাঙ্কের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শাখায় একটি সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খোলেন খালেদা জিয়া। সেই অ্যাকাউন্ট খোলার পর সেখানে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা এবং প্রভাবকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অবৈধ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ ও জমা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন দফতরের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বিএনপির দলীয় তহবিলের টাকা ছাড়া ওই অ্যাকাউন্টে জমা পড়া বাকি টাকার কোনও বৈধ উৎস নেই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে ওই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com