শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে বিআরটিএ যেসব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে বিআরটিএ যেসব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে

আদালতের আদেশে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। ওই প্রতিবেদনে যে যোগ্যতার ভিত্তিতে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন করা হয়, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল রোববার বিকেলে প্রতিবেদন দাখিলের পর এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে যেসব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো :

১. বাংলা অথবা ইংরেজি লিখতে এবং বলতে পারা।

২. প্রার্থীর বয়স ২০ বছর হওয়া।

৩. রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপযুক্ততার মানদণ্ডে উত্তীর্ণপূর্বক শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করা।

৪. শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কমপক্ষে দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরিচালিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।

৫. ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরিচালিত লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া।

৬. আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ যাচাই প্রতিবেদন সঠিক হওয়া।

৭. রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপযুক্ত মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হওয়া।

৮. কমপক্ষে তিন বছর হালকা বা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান চালানোর অভিজ্ঞতা না থাকলে কোনো আবেদনকারী মধ্যম বা ভারী (যে ক্ষেত্রে যেটা প্রযোজ্য) মোটরযান চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত বলে বিবেচিত কোনো শ্রেণির লোকজনকে সরকার এই বিধির কার্যকারিতা থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারবে।

৯. কমপক্ষে তিন বছর হালকা বা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা সাপেক্ষে আবেদনকারী মধ্যম বা ভারী (যে ক্ষেত্রে যেটা প্রযোজ্য) মোটরযান চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে পূর্বানুরূপে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করা এবং এর মেয়াদ কমপক্ষে দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া।

১০. পরিবহন যানের চালকদের আঞ্চলিক পরিবহন কমিটি (আরটিসি) থেকে ইস্যুকৃত পাবলিক সার্ভিস ভেহিকল অথরাইজেশন (পিএসভি) প্রাপ্ত হওয়া।

নবায়ন

১. মোটরযান পরিদর্শকের ফিল্ড টেস্টে কৃতকার্য হওয়া।

২. প্রার্থীদের রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় (উপযুক্ততার মানদণ্ডে) উত্তীর্ণ হওয়া।

আদালতে জাবালে নূর পরিবহনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু। বিআরটিএর পক্ষে ছিলেন রফিকুল ইসলাম। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে ৩০ জুলাই এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে আপাতত পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেন।

এ ছাড়া চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তি দেওয়া হয় এবং সড়কে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বিআরটিএকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com