মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৭ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ মাঠটি খেলাধুলা অনুপোযোগী

লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ মাঠটি খেলাধুলা অনুপোযোগী

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর:
জেলার সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠ লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির সামনেই রয়েছে বিরাট খেলার মাঠ। যেখানে কলেজ শিক্ষার্থীরা ছাড়াও স্থানীয় শিশু-কিশোর ও যুবকরা খেলাধুলা করেন। সপ্তাহে একদিন সকাল বেলা ক্রিকেট কিংবা ফুটবল খেলতে দেখা যেত বাজারের স্বর্ণালংকারের কারিগরদের। কিন্তু এখন আর দেখা যাচ্ছে না। সমান না হওয়ায় ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণেই খেলার অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে মাঠটি।
বর্ষা এলেই সামান্য বৃষ্টিতেই হাটুপানিতে ডুবে থাকে মাঠটি। তখন এটিকে মাঠ মনে হয় হয়না। মনে হয় একটি বিশাল দিঘী। পানি নিস্কাশনের স্থায়ী কোন ব্যবস্থাও নেই। মাঠটিতে অসংখ্য গর্তে ভরা। যার কারণে পানি জমে থাকে এবং কাঁদা সৃষ্টি হয়। গেল বছর কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে পানি নিস্কাশনের জন্য অস্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়। এতে পানি নেমে গেলেও মাঠটি কাঁদাপানিতে খেলাধুলার অনুপোযোগী হয়ে থাকে। সেখানে ফুটবল নিয়ে নামলে কাঁদায় বলটি আটকে যায়। অল্প সময়ে খেলোয়াড়ররা দুর্বল হয়ে পড়ে। কাঁদাপানি জমে থাকায় কলেজের সৌন্দর্যে বিঘ্ন ঘটে।
জানা গেছে, ১৯৬৪ সালের ১ জুলাই বর্তমান লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের যাত্রা শুরু হয়। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মরহুম অধ্যাপক আবদুল জব্বার। কলেজর জমির পরিমাণ ৮ একর ৬৩ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে বিরাট খেলার মাঠ। কলেজের আশ-পাশের এলাকায় বহুতল ভবনের ঘিরে আছে। নেই কোন খেলার মাঠ। যার কারণে খেলা প্রিয় শিশু-কিশোর-যুবকরা এ মাঠটিতে খেলতে আসে। বড় মাঠ হওয়ায় এক পাশে একেক রকম খেলায় মগ্ন থাকতো খেলোয়াড়রা। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে কলেজ মাঠটি যেন একটি পার্কে পরিণত হয়। দূর-দূরান্ত থেকে নিরিবিলি একটু সময় কাটানোর জন্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে কলেজ আঙিনায় দেখা যায়। তারা ঘন্টার পর ঘন্টা মাঠে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করে দেন। বর্ষা এলে মাঠে যাওয়া আর সম্ভব হয়না।
খেলাপ্রেমী কয়েকজন জানান, মাঠটির পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা দরকার। এছাড়া মাঠটির গর্ত ভরাট করে সমান করলে আর কাঁদাপানির সৃষ্টি হবে না। তখন সারাবছর মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী থাকবে বলে আশাবাদি তারা।
লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাইন উদ্দিন পাঠান বলেন, মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য অস্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন আর পানি জমে থাকে না। তবে কাঁদাপানিতে মাঠটি বেহাল দশার ঘটনাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্ধ পেলে ড্রেন ও মাঠ ভরাটের কাজ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved © 2017 Asiansangbad.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com