শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ নেতাদের উন্নয়ন পেতে হলে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে: শিল্পমন্ত্রী ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এড স্মিথ। জাপান উ. কোরিয়ার প্রতিশ্রুতিতে সন্তুষ্ট নয় দেশে ফিরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে ১.৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঝালকাঠিতে কৃষকের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণ ইয়াবাসহ যাত্রাবাড়ীতে ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার গ্রেফতার ৫ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে শুরু হবে।

পায়রা ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে শুরু হবে।
পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসেন আজ বাসস’কে বলেন, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হবে পরিবেশ বান্ধব। এতে স্বচ্ছ কয়লা, (ক্লিন কোল) ব্যবহৃত হবে। এই প্লান্ট দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, ৬৬০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ও ২০২০ সালের মধ্যে শুরু হবে। এতে এই কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১৩২০ মেগাওয়াট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চীনের বিদ্যুৎ কোম্পানি সিএমসি এবং বাংলাদেশের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এনডাব্লিউপিজিসিএল) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) প্রায় ২ বিলিয়ন টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, সরকার এই অঞ্চলের পরিবেশ, জনবসতি ও জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। গভীর সাগর থেকে আচ্ছাদিত বার্জে কয়লা প্লান্টে নেয়া হবে।
এর আগে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন যে, ‘আমি এই প্রকল্পের দ্রুত নির্মাণ কাজে অত্যন্ত আনন্দিত।’
তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে পটুয়াখালির পায়রা এবং কক্সবাজারের মহেশখালি ও মাতারবাড়ীতে ৩টি বড় ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। এসব কেন্দ্রে কয়েকটি কয়লা ও এলএনজি ভিত্তিক প্লান্ট তৈরি হবে।
নসরুল হামিদ বলেন, পায়রায় পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতি প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্য ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
২০১৪ সালে ১৯ মাচৃ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের দুই কোম্পানির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ক্রয় ও নির্মাণ চুক্তি হয় ২০১৬ সালের ২৯ মার্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..