একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরার জন্য রি-কল করতে আবেদন

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় চার্জশিট দাখিলকারী দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরার জন্য রি-কল করতে আবেদন করেছে আসামীপক্ষ।
আজ সোমবার মাওলানা আব্দুস সালামের আইনজীবী মো. মাঈন উদ্দিন ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ আবেদন করেন।
আসামী সালামের পক্ষে পূর্বে জেরা করার সময় কিছু প্রশ্ন বাকী থাকায় ওই সকল প্রশ্ন করার জন্য তিনি এ আবেদন দাখিল করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তারা হলেন, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ এবং সিআইডির এএসপি মো ফজলুল কবীর।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর সৈয়দ রেজাউর রহমান ওই আবেদনের বিষয়ে বিরোধীতা করে শুনানি করেন।
ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন শুনানি শেষে এ বিষয়ে পরে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে এদিন যুক্তি উপস্থাপনের ৬১তম ধার্য দিনে ওই আসামীর পক্ষে আইনজীবী আংশিক যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। এরপর দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরার আবেদন করেন। কাল মঙ্গলবারও মামলাটিতে যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য আছে। ওইদিন ওই আইনজীবীই যুক্তি উপস্থাপন শুরু করবেন বলে আইনজীবীরা জানায়।
মামলাটিতে ৪৯ আসামির মধ্যে এখনো সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৬ আসামীর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন এখনো বাকী রয়েছে।
এরও আগে রাষ্ট্রপক্ষে গত ১ জানুয়ারি ২৫ কার্যদিবস যুক্তি উপস্থাপনের পর যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপনে আসামীদের আইন অনুযায়ি সর্বোচ্চ সাজা দাবী করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নির্মমভাবে নিহত হন। আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রানে বেঁচে যান। আহত হন কয়েকশত নেতাকর্মী।
ওই ঘটনায় আনা পৃথক মামলার বিচার এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..